পঞ্চশীল নীতি: ধারণা ও মূলনীতি পঞ্চশীল নীতির ইতিহাস, লক্ষ্য এবং প্রধান পাঁচটি মূলনীতির সংক্ষিপ্ত সংকলন। পঞ্চশীল নীতি কী? ‘ পঞ্চশীল ’ কথাটির অর্থ হলো পাঁচটি নীতি বা নিয়ম। ১৯৫৪ সালের ২৯ এপ্রিল ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু এবং চিনের প্রিমিয়ার (প্রধানমন্ত্রী) চৌ এন-লাইয়ের মধ্যে তিব্বত সংক্রান্ত একটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মুখবন্ধে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে শান্তি , স্থায়িত্ব ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার জন্য যে পাঁচটি নীতি গ্রহণ করা হয়, তা ইতিহাসে ‘ পঞ্চশীল নীতি ’ নামে পরিচিত। পরবর্তীতে ১৯৫৫ সালের বান্দুং সম্মেলনেও এই নীতিগুলি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। পঞ্চশীল নীতির মূলনীতিসমূহ: [1] আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা: চুক্তিভুক্ত দেশগুলি একে অপরের সীমান্ত, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং জাতীয় সার্বভৌমত্বকে পূর্ণ সম্মান জানিয়ে চলবে। [2] পরস্পরকে আক্রমণ না করা (অনাক্রমণ): কোনো দেশই নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক মনোভাব দেখাবে না বা সশস্ত্র হামলা চালাবে না। [3] অন্যের অভ্যন্তরীণ বি...
ভারতের ইতিহাসে ১৯৫০ সালের ২৬ শে জানুয়ারির গুরুত্ব কী? ভারতের ইতিহাসে ১৯৫০ সালের ২৬ শে জানুয়ারির ঐতিহাসিক গুরুত্ব: সংবিধান কার্যকর, পূর্ণ স্বরাজের স্মৃতি এবং স্বাধীন ভারতের সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ। ভূমিকা : ২৬ শে জানুয়ারি ১৯৫০ সালের ২৬ শে জানুয়ারি আধুনিক ভারতের রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক ইতিহাসের একটি স্মরণীয় দিন। এই দিনেই দীর্ঘ ঔপনিবেশিক শাসনের আইনি অবশেষ মুছে ফেলে স্বাধীন ভারত নিজের মৌলিক সংবিধান কার্যকর করে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে একটি “ সার্বভৌম গণতান্ত্রিক সাধারণতন্ত্র ” হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ২৬ শে জানুয়ারির গুরুত্ব : বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে এই দিনটির গভীর তাৎপর্য অনুভব করা যায়। ১. সংবিধান কার্যকর ও সাধারণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ১৯৪৯ সালের ২৬ শে নভেম্বর ড. বি আর আম্বেদকরের নেতৃত্বে রচিত ভারতের সংবিধান গৃহীত হয়েছিল। ১৯৫০ সালের ২৬ শে জানুয়ারি এই সংবিধানটি পূর্ণাঙ্গরূপে সারা দেশে কার্যকর হয়। এর মাধ্যমে ১৯৩৫ সালের ব্রিটিশ গঠিত ‘ গভর্নমেন্ট অফ ইন্ডিয়া অ্যাক্ট ’ বাতিল হয় এবং ভারত নিজস্ব শাসন পদ্ধতির মাধ্যমে পরিচালিত হতে শুরু করে। ২. ১৯৩০ সালের ‘পূর্ণ স্বরাজ’ স...
.png)