পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা কী? এর ফলাফল কী হয়েছিল? এই তথ্যচিত্রটি ভারতে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রভাব এবং এটি যে চ্যালেঞ্জগুলির মুখোমুখি হয়েছিল, তার একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ প্রদান করে। এটি ইতিবাচক দিকগুলি যেমন কৃষি ও শিল্পের উন্নতি এবং নেতিবাচক দিকগুলি যেমন দারিদ্র্য ও বেকারত্বের মতো সমস্যাগুলিকে চিহ্নিত করে। পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা : স্বাধীন ভারতের অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে পাঁচ বছরের জন্য গৃহীত সার্বিক উন্নয়নমূলক নীতি বা পরিকল্পনাকে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বলা হয়। ১৯৫০ সালে পন্ডিত জওহরলাল নেহেরুর নেতৃত্বে গঠিত ‘ পরিকল্পনা কমিশন ’ (Planning Commission) ১৯৫১ সালে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চালু করে। পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার ফলাফল : ভারতে ১৯৫১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মোট ১২টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা কার্যকর হয়। এর ইতিবাচক ও নেতিবাচক—উভয়প্রকার ফলাফলই ভারতের অর্থনীতি ও সমাজে দেখা গিয়েছিল: [ক] ইতিবাচক ফলাফল: [1] কৃষি ও সেচ ব্যবস্থার উন্নতি: প্রথম পরিকল্পনাতেই কৃষির ওপর জোর দেওয়া হয়। ভাকরা-নাঙ্গাল, ডিভিসি (DVC)-র মতো নদী উপত্যকা প্রকল্প গড়ে ওঠে এবং সবুজ বিপ্লবের মাধ্য...
সংবিধানের প্রস্তাবনা বলতে কী বোঝো? প্রস্তাবনার মূল কথা কী? ভারতের সংবিধানের প্রস্তাবনা এবং এর মূল নীতিগুলি বোঝার একটি সংক্ষিপ্ত নির্দেশিকা। সংবিধানের প্রস্তাবনা সংবিধানের ‘ প্রস্তাবনা ’ (Preamble) হলো মূল সংবিধানের ভূমিকা বা রূপরেখা। সহজ কথায়, একটি বইয়ের শুরুতে যেমন ‘ ভূমিকা ’ থাকে, তেমনই সংবিধানের শুরুতেই এই প্রস্তাবনাটি যুক্ত রয়েছে। এটি সংবিধানের মূল আদর্শ, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং দর্শনের সংক্ষিপ্তসার। ভারতের সংবিধানের প্রস্তাবনাকে সংবিধানের ‘ আত্মা ’, ‘ চাবিকাঠি ’ ও ‘ দর্পণ ’ বলা হয়ে থাকে। পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর উত্থাপিত ঐতিহাসিক ‘ আদর্শ সংক্রান্ত প্রস্তাব ’ (Objectives Resolution)-এর ওপর ভিত্তি করে এই প্রস্তাবনাটি রচিত হয়েছে। প্রস্তাবনার মূল কথা: [১] ক্ষমতার উৎস: প্রস্তাবনার শুরুতেই “ আমরা, ভারতের জনগণ... ” শব্দগুলির মাধ্যমে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ভারতের সংবিধানের আসল উৎস এবং সমস্ত ক্ষমতার চালিকাশক্তি হলো দেশের জনগণ। [২] রাষ্ট্রের প্রকৃতি: প্রস্তাবনায় ভারতকে একটি সার্বভৌম , সমাজতান্ত্রিক , ধর্মনিরপেক্ষ , গণতান্ত্রিক , প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই শব্দগু...
.png)