সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

2019 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বক্সার যুদ্ধের পটভূমি আলোচনা কর। পলাশির যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করে এই যুদ্ধের গুরুত্ব নির্ণয় কর।

বক্সার যুদ্ধের পটভূমি আলোচনা কর ১৭৬০ সালের বিপ্লব কী পলাশির যুদ্ধে জয়লাভের ফলে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার  ‘ কিং মেকার ’ -এ পরিণত হয় ।  মিরজাফরকে সিংহাসনে বসিয়ে তারা বাংলায় বিনাশুল্কে বানিজ্যের অবাধ অধিকার ও চব্বিশ পরগণার জমিদারি লাভ করে ।   কিন্তু ক্লাইভের উদ্ধত আচরণ ,  নবাবের প্রতি অসম্মান ,  ক্রমাগত অর্থশোষণ প্রভৃতি কারণে মিরজাফর বিরক্ত হন ।  ইংরেজদের ক্ষমতা ক্ষর্ব করার জন্য তিনি গোপনে ওলন্দাজদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ।  খবর পেয়ে ক্লাইভ বিদারার যুদ্ধে ওলন্দাজদের পরাজিত করন ।  আর ওলন্দাজদের সঙ্গে ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার অভিযোগে মিরজাফরকে পদচ্যুত করে তাঁর জামাতা মিরকাশিমকে বাংলার সিংহাসনে বসান ।  এভাবে বিনা রক্তপাতে নবাব পরিবর্তনের ঘটনা  ‘ ১৭৬০ সালের বিপ্লব ’  নামে পরিচিত । ইংরেজ ও মিরকাশিমের বিরোধের কারণ ইংরেজদের সহযোগীতায় ক্ষমতা দখল করলেও মিরকাশিম ইংরেজদের ওপর নির্ভরতা কমানোর উদ্দেশ্যে শিঘ্রই বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন ।  ফলে তাঁর সঙ্গে ইংরেজদের বিরোধ অনিবার্য হয়ে ওঠে । 1)    আর্থিক শক্তিবৃদ্ধির চেষ্টা । ...

পলাশী ও বক্সারের যুদ্ধের তুলনামূলক আলোচনা করো।

১৭৬০ সালের বিপ্লব কী পলাশির যুদ্ধে জয়লাভের ফলে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার ‘কিং মেকার’-এ পরিণত হয়। মিরজাফরকে সিংহাসনে বসিয়ে তারা বাংলায় বিনাশুল্কে বানিজ্যের অবাধ অধিকার ও চব্বিশ পরগণার জমিদারি লাভ করে। কিন্তু ক্লাইভের উদ্ধত আচরণ, নবাবের প্রতি অসম্মান, ক্রমাগত অর্থশোষণ প্রভৃতি কারণে মিরজাফর বিরক্ত হন। ইংরেজদের ক্ষমতা ক্ষর্ব করার জন্য তিনি গোপনে ওলন্দাজদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। খবর পেয়ে ক্লাইভ বিদারার যুদ্ধে ওলন্দাজদের পরাজিত করন। আর ওলন্দাজদের সঙ্গে ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার অভিযোগে মিরজাফরকে পদচ্যুত করে তাঁর জামাতা মিরকাশিমকে বাংলার সিংহাসনে বসান। এভাবে বিনা রক্তপাতে নবাব পরিবর্তনের ঘটনা ‘ ১৭৬০ সালের বিপ্লব’ নামে পরিচিত। ইংরেজ ও মিরকাশিমের বিরোধের কারণ ইংরেজদের সহযোগীতায় ক্ষমতা দখল করলেও মিরকাশিম ইংরেজদের ওপর নির্ভরতা কমানোর উদ্দেশ্যে শিঘ্রই বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।ফলে তাঁর সঙ্গে ইংরেজদের বিরোধ অনিবার্য হয়ে ওঠে। মিরকাশিমের বিভিন্ন আর্থিক, সামরিক, প্রশাসনিক ইত্যাদি পদক্ষেপ গ্রহন করায় ইংরেজরা তাঁর বিরুদ্ধে ক্রমশঃ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। বিশেষ করে দেশীয় বণিকদের বিনাশুল্কে বাণিজ্য করা...

ঊনিশ শতকে দ্বিতীয়ার্ধ থেকে ভারতে কিভাবে বিভিন্ন শিল্পের অগ্রগতি ঘটেছে দেখাও।

অথবা , ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্ব পর্যন্ত ভারতে শিল্পের বিকাশ সংক্ষেপে বর্ননা কর । উত্তর : ভারতে ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠার পর ব্রিটিশ সরকার ভারতকে একটি কাঁচামাল রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে গড়ে তোলার চেষ্টা করে । ১৮৫৭ সালে মহাবিদ্রোহের পর পরিস্থিতি পাল্টায় । বিলম্ব হলেও এই সময় ইউরোপীয় ও ভারতীয় উদ্যোগে শুরু হয় নির্দিষ্ট কিছু শিল্পের বিকাশ । ইউরোপীয় শিল্পোদ্যোগ বৈশিষ্ট্য ইউরোপীয় উদ্যোগে ভারতে শিল্প- বিকাশের কয়েকটি বিশেষত্ব লক্ষ্য করা যায় । যেমন – A.   ভারতীয় উদ্যোগের বিরোধিতা । কারণ , ইংল্যান্ড ও ভারতীয় ইংরেজ শিল্পপতিরা মনে করতেন যে , ভারতীয় উদ্যোগে শিল্প গড়ে উঠলে ভারতের বাজার ও কাঁচামাল তাদের হাতছাড়া হবে । B.   ভোগ্যপণ্য প্রস্তুতি । ভারী বা মূলধন সৃষ্টিকারী শিল্পের পরিবর্তে ইউরোপীয়রা মূলত ভোগ্যপণ্যের সঙ্গে যুক্ত শিল্পে পুঁজি বিনিয়োগ করতেন । শিল্প বিকাশের কারণ ভারেত ব্রিটিশ পুঁজিপতিদের শিল্পোদ্যোগের পিছনে কয়েকটি কারণ ছিল – 1)   উৎপাদন ব্যয় কম । কারণ , সামান্য মজুরিতে প্রচুর শ্রমিক পাওয়া যেত । 2) ...

বৃটিশ আমলে ভারতে ইউরোপীয় পুঁজিপতিদের উদ্যোগে শিল্পের অগ্রগতির কারণ কী ছিলো? ভারতীয় মালিকানায় এদেশে শিল্পোদ্যোগের ক্ষেত্রে কী কী সমস্যা ছিল?

অথবা , ভারতে শিল্পবিকাশে ভারতীয়দের বাধাগুলি কী ছিল ? ব্রিটিশরা এক্ষেত্রে কেন সফল হয়েছিল ? ইউরোপীয় শিল্পোদ্যোগ ঔপনিবেশিক শাসনকালে ভারতে ইউরোপীয়দের উদ্যোগে সর্বপ্রথম শিল্পের বিকাশ শুরু। মহাবিদ্রোহের (১৮৫৭) পর থেকে ভারতে শিল্পায়নের অগ্রগতি শুরু হয়। এই শিল্প বিকাশের কয়েকটি বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়। এগুলি হল – 1)   ভারতীয় উদ্যোগের বিরোধিতা । ইউরোপীয় শিল্পপতিরা ভারতীয় শিল্পোদ্যোগের বিরোধিতা করতেন । কারণ , তারা মনে করতেন ভারতীয় উদ্যোগের ফলে তাদের ভারতীয় বাজার ও কাঁচামাল হাতছাড়া হবে । 2)    ভোগ্যপণ্য প্রস্তুতি । ভারতে ভারী বা মূলধন সৃষ্টিকারী শিল্প (যেমন – যন্ত্রপাতি , লৌহ-ইস্পাত ইত্যাদি) গড়ে তুলতে চাননি । মূলতঃ ভোগ্যপণ্যের সঙ্গে যুক্ত শিল্পে পুঁজি বিনিয়োগ করতেন । ইউরোপীয় শিল্পবিকাশের কারণ । ভারতে ইউরোপীয় শিল্পপতিদের শিল্পোদ্যোগ গ্রহণের বিভিন্ন কারণ ছিল । সেগুলি হল – 1)   সস্তা কাঁচামাল । ভারত ছিল মূলত কৃষিপ্রধান দেশ । তাই এখানে সস্তায় প্রচুর শিল্পের উপযোগী কাঁচামাল পাওয়া যেত । 2)   সুলভ শ্রমিক । প্রচুর জনসংখ্যার কারণে এখানে সামান্য মজুর...

ভারতে বিভিন্ন উদ্যোগে রেলপথের সম্প্রসারণ সম্পর্কে আলোচনা কর।

অথবা , গ্যারান্টি প্রথা কী ? ভারতে রেলপথ স্থাপনে এই প্রথার কী ভূমিকা ছিল ? ভারতের অর্থনীতিতে রেলপথের গুরুত্ব উল্লেখ কর । ভূমিকা ( গ্যারান্টি প্রথা) ভারতে ১৮৩২ সাল থেকে রেলপথ স্থাপনের প্রস্তাব উঠতে থাকে । ১৮৫৩ সালে লর্ড ডালহৌসি সর্বপ্রথম বোম্বাই থেকে থানে পর্যন্ত রেলপথ স্থাপন করেন । ব্রিটিশ কোম্পানিগুলিকে ভারতে রেলপথ স্থাপনে উৎসাহিত করার জন্য সরকার এই সময় কয়েকটি বিষয়ে গ্যারান্টি বা প্রতিশ্রুতি দেয় । এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল , বিনামূল্যে জমিদান ও কোম্পানিকে বিনিয়োগ করা মূলধনের ওপর ৫ শতাংশ সুদ প্রদান । এই প্রতিশ্রুতিই ‘ গ্যারান্টি প্রথা ’ নামে পরিচিত । রেলপথের সম্প্রসারণ : ভারতে রেলপথ সম্প্রসারণে গ্যারান্টি প্রথা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে । তবে সার্বিক সম্প্রসারণে সরকারি উদ্যোগও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে । সমগ্র সম্প্রসারণ প্রক্রিয়াকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করে আলোচনা করা যায় । প্রথম পর্যায় গ্যারান্টি প্রথা ও তার শর্ত (বৈশিষ্ট্য) : প্রথমে কয়েকটি ব্রিটিশ কোম্পানিকে রেলপথ নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয় । এই পর্যায়ে তাদের উৎসাহিত করার জন্য সরকার কিছু প্রতিশ্রুতি দে...

ভারতে রেলপথ স্থাপনের কারণ ও ফলাফল আলোচনা কর।

অথবা , ‘ গ্যারান্টি প্রথা ’ কী ? রেলপথ স্থাপনের উদ্দেশ্য কী ছিল ? ভারতের অর্থনীতিতে রেলপথের কী প্রভাব পড়েছিল ? গ্যারান্টি প্রথা । ভারতে ১৮৩২ সাল থেকে রেলপথ স্থাপনের প্রস্তাব উঠতে থাকে । ১৮৫৩ সালে লর্ড ডালহৌসি সর্বপ্রথম বোম্বাই থেকে থানে পর্যন্ত রেলপথ স্থাপন করেন । ব্রিটিশ কোম্পানিগুলিকে ভারতে রেলপথ স্থাপনে উৎসাহিত করার জন্য সরকার এই সময় কয়েকটি বিষয়ে গ্যারান্টি বা প্রতিশ্রুতি দেয় । এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল , বিনামূল্যে জমিদান ও কোম্পানিকে বিনিয়োগ করা মূলধনের ওপর ৫ শতাংশ সুদ প্রদান । এই প্রতিশ্রুতিই ‘ গ্যারান্টি প্রথা ’ নামে পরিচিত । রেলপথ স্থাপনের উদ্দেশ্য / কারণ । ভারতে রেলপথ স্থাপনে ইংরেজদের বিভিন্ন সাম্রাজ্যবাদী উদ্দেশ্য কাজ করেছিল । এই উদ্দেশ্যগুলির মধ্যেই রয়েছে রেলপথ গড়ে তোলার অন্তর্নিহিত কারণ । উদ্দেশ্যগুলি হল – ১) অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য – 1)   ইংল্যান্ডে শিল্পবিপ্লবের ফলে সৃষ্ট কারখানাগুলিতে ভারতের কাঁচামাল সহজে ও সুলভে বন্দরে নিয়ে যাওয়া । 2)    ইংল্যান্ডের কারখানায় উৎপাদিত পণ্য দ্রুত ভারতের সর্বত্র পৌঁছে দেওয়া । 3)   শিল্পবি...
OUR OTHER BOOKS (ICSE & CBSE)
OUR BOOKS fOR WBBSE & WBCHSE


বাংলা বই ★ দ্বাদশ শ্রেণি
উচ্চমাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার 👆আদর্শ প্রশ্নোত্তরের একমাত্র পোর্টাল

জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরগুলি দেখুন