সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কংগ্রেসের নরমপন্থী আন্দোলনের সীমাবদ্ধতা

কংগ্রেসের নরমপন্থী আন্দোলনের সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করো। কংগ্রেসের নরমপন্থী আন্দোলনের সীমাবদ্ধতা ১৮৮৫ সালে ৭২ জন প্রতিনিধি নিয়ে জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার (১৮৮৫) পর থেকে ১৯০৫ সাল পর্যন্ত জাতীয় কংগ্রেস মূলত আবেদন নিবেদনের মাধ্যমে তাদের দাবি দাওয়া আদায়ের চেষ্টা করে। দাবি-দাওয়া আদায়ের এই নরমপন্থার কারণে এই পর্বের (আদি জাতীয়তাবাদী) আন্দোলনকে ‘ নরমপন্থী আন্দোলন ’ বলে অভিহিত করা হয়।  নরমপন্থী আন্দোলনের সীমাবদ্ধতা : ১৮৮৫ থেকে ১৯০৫ সাল পর্যন্ত বিস্তারিত কংগ্রেসের কার্যাবলী বিশ্লেষণ করলে নরমপন্থী আন্দোলনের সীমাবদ্ধগুলি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ১) সাংগঠনিক দুর্বলতা : জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম পর্বে তার সাংগঠনিক দুর্বলতা ছিল প্রকট। ড. সুমিত সরকারে র মতে, এই পর্বে “কংগ্রেস কোনো রাজনৈতিক দল ছিল না। এর স্থায়ী কর্মপরিষদও ছিল না। ফলে গণ-আন্দোলন সংঘটিত করা তাদের পক্ষে অসম্ভব ছিল।” ২) নরমপন্থী নীতি : নরমপন্থী পর্বের আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দূর্বলতা ছিল তার নরমপন্থী নীতি। আবেদন নিবেদনের মাধ্যমে যে কোন দাবী-দাওয়া আদায় করা সম্ভব নয়, এটা তারা বোঝেননি। ৩) গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব : কংগ্রেসের নরমপন্থী পর...

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠায় হিউমের ভূমিকা কী ছিল?

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠায় হিউমের ভূমিকা কী ছিল? জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠায় হিউমের ভূমিকা কী ছিল? ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দের ২৮ ডিসেম্বর বোম্বাইতে ৭২ জন জনপ্রতিনিধি নিয়ে সংঘটিত একটি অধিবেশনে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় । কংগ্রেসের উৎপত্তি ও তার প্রেক্ষাপট সম্পর্কে মতপার্থক্য থাকলেও একথা অনস্বীকার্য যে এ ব্যাপারে হিউম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠায় হিউমের ভূমিকা : জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠায় হিউমের ভূমিকা সম্পর্কে দুটি তত্ত্ব লক্ষ্য করা যায়। প্রথমটি ‘ সেফটি ভালভ তত্ত্ব ’ এবং দ্বিতীয়টি ‘ হিউম-ড্যাফরিন ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ’। ক) সেফটি ভালভ তত্ত্ব : জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠায় সেফটি ভালভ তত্ত্বের উল্লেখ পাওয়া যায় দুটি সূত্র থেকে। ১) উইলিয়াম ওয়েডারবার্ন ও সেফটি ভালভ তত্ত্ব : হিউমের জীবনী গ্রন্থের লেখক উইলিয়াম ওয়েডারবার্ন ‘সেফটি ভালভ তত্ত্বে’র প্রবক্তা। তিনি এই জীবনে গ্রন্থে ( Alan Octavian Hume : father of Indian National Congress ) লিখেছেন, “হিউমী ছিলেন জাতীয় কংগ্রেসের পরিকল্পনাকারী ও প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা।” উইলিয়াম ওয়েডারবার্ন -এর মতে, স...

হিন্দু মহাসভা প্রতিষ্ঠার পটভূমি আলোচনা করো।

‘হিন্দু মহাসভা’ প্রতিষ্ঠার পটভূমি আলোচনা করো। হিন্দু মহাসভা প্রতিষ্ঠার পটভূমি আলোচনা করো। ১৯১৫ সালে উত্তরপ্রদেশের হরিদ্বারে কুম্ভমেলা চলাকালে মদনমোহন মালব্যে র উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘ অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা ’ যা সংক্ষেপে ‘ হিন্দু মহাসভা ’ নামে পরিচিত। মুসলিম লীগের মতো হিন্দু মহাসভাও ভারতে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। হিন্দু মহাসভা প্রতিষ্ঠার পটভূমি : ভারতে হিন্দু মহাসভা ও হিন্দু সম্প্রদায়িকতার উদ্ভব ও প্রসারের পিছনে যে সমস্ত ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল তা হল— ১) সাম্রাজ্যবাদী ঐতিহাসিকদের ইতিহাস বিকৃতি : ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের পর ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থে ব্রিটিশ ঐতিহাসিকরা ভ্রান্ত ইতিহাস চেতনার জন্ম দেয় এবং ভারতের ইতিহাসকে সচেতন ভাবে বিকৃত করে। উদ্দেশ্য ‘ ডিভাইড এন্ড রুল ’ নীতি প্রয়োগ করে ব্রিটিশ শাসনকে দীর্ঘস্থায়ী করা। ব্রিটিশ ঐতিহাসিকদের ভূমিকা : ব্রিটিশ ঐতিহাসিক জেমস মিল ভারতের ইতিহাসকে হিন্দু যুগ , মুসলিম যুগ এবং ব্রিটিশ যুগ — হিসেবে ভাগ করেন এবং ব্রিটিশ শাসনের  সুবিধার্থে মধ্যযুগে হিন্দুদের উপর মুসলমান শাসকদের অত্যাচারের ব...

আলীগড় আন্দোলনে স্যার সৈয়দ আহমেদ খানের ভূমিকা

 আলিগড় আন্দোলনে স্যার সৈয়দ আহমেদ খানের ভূমিকা আলীগড় আন্দোলনে স্যার সৈয়দ আহমেদ খানের ভূমিকা আলিগড় আন্দোলন কী? স্যার সৈয়দ আহমেদ খান ছিলেন মূলত একজন সমাজ ও শিক্ষা সংস্কারক । উদ্দেশ্য ছিল মুসলিম সমাজকে কুসংস্কার ও অশিক্ষা থেকে মুক্ত করা এবং সেই লক্ষ্যে সমাজে আধুনিক শিক্ষার প্রসার ঘটানো। এছাড়া আধুনিক রাজনৈতিক চিন্তা ও দর্শন সম্পর্কে মুসলিম সমাজকে সচেতন করে তোলা। মূলত এই উদ্দেশ্যকে সফল করার জন্য তিনি যে শিক্ষা ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন তা আলিগড় আন্দোলন নামে পরিচিত। আলিগড় আন্দোলনে সৈয়দ আহমেদের ভূমিকা : ১৮৬৯ থেকে ১৮৭০ সাল পর্যন্ত সৈয়দ আহমেদ খান ইংল্যান্ড ভ্রমণ করেন। ভ্রমণ কালে তিনি উপলব্ধি করেন পাশ্চাত্য শিক্ষা সংস্কৃতি ও বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারার গুরুত্বের কথা। উপলব্ধি করেন মুসলিম সমাজের মধ্যে থাকা কুসংস্কার ও অজ্ঞতা দূর করতে না পারলে মুসলিম সমাজের অগ্রগতি সম্ভব নয়। ১) ধর্ম সংস্কার ও সৈয়দ আহমেদ খান :  কিন্তু সমাজ সংস্কারের আগে দরকার ছিল সমাজে প্রচলিত ধর্মীয় চিন্তাভাবনার পরিবর্তন। কারণ ধর্মীয় আদর্শ ও রীতিনীতি সমাজকে গভীরভাবে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে। সে কারণে প্রথ...

থিওডোর বেক কে ছিলেন? আলীগড় আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা কী ছিল?

থিওডোর বেক কে ছিলেন? আলীগড় আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা কী ছিল? থিওডোর বেক কে ছিলেন? আলীগড় আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা থিওডোর বেক কে ছিলেন? থিওডোর বেক একজন ব্রিটিশ শিক্ষাবিদ এবং আলীগড় মহামেডান অ্যাংলো ওরিয়েন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ। স্যার সৈয়দ আহমেদের আমন্ত্রণে ১৮৮৩ সালে তিনি এই কলেজের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এবং অমৃত্য এই পদে কর্মরত থেকে তিনি আলীগড় আন্দোলনকে এগিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। আলিগড় আন্দোলনে থিওডোর বেক-এর অবদান : এই কলেজে অধ্যক্ষ থাকাকালীন সময়ে থিওডোর বেক মুসলিম সমাজে আধুনিক শিক্ষার প্রসার এবং আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক চেতনার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেন। ১) ইংরেজি শিক্ষার প্রসার ঘটানো। মুসলিম সমাজে ইংরেজি শিক্ষার প্রসার ঘটানোর জন্য তিনি আলিগড় অ্যাংলো ওরিয়েন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে তিনি আমৃত্যু এই কাজ করেছিলেন। ২) আধুনিকতা ও যুক্তিবাদের প্রসার ঘটানো। পাশ্চাত্য শিক্ষার বিরোধী মুসলিম সমাজকে আধুনিকতা ও যুক্তিবাদের পথে পরিচালনার ক্ষেত্রে থিওডোর বেক স্যার সৈয়দ আহমেদ খানের প্রধান সহযোগী হিসেবে কাজ করেছিলেন। ৩) রাজনৈতিক চেতনার প্রসার ঘটানো। মুসলিমদের মধ্যে রাজনৈতি...
OUR OTHER BOOKS (ICSE & CBSE)
OUR BOOKS fOR WBBSE & WBCHSE


বাংলা বই ★ দ্বাদশ শ্রেণি
উচ্চমাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার 👆আদর্শ প্রশ্নোত্তরের একমাত্র পোর্টাল

জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরগুলি দেখুন