সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

(৪) চতুর্থ অধ্যায় লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

হান্টার কমিশনের সুপারিশ মূল্যায়ন করো

হান্টার কমিশনের সুপারিশ মূল্যায়ন কর হান্টার কমিশনের সুপারিশ মূল্যায়ন করো আধুনিক শিক্ষার প্রসারে হান্টার কমিশনের সুপারিশ মূল্যায়ন কর Evaluate the recommendations of the Hunter Commission on the promotion of modern education হান্টার কমিশন কী: হান্টার কমিশন বা ইন্ডিয়ান এডুকেশন কমিশন হল আধুনিক ভারতের ইতিহাসে প্রথম শিক্ষা কমিশন। ভারত সরকার এই কমিশন গঠন করে ১৮৮২ সালে ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতি পর্যালোচনা করার জন্য। হান্টার কমিশনের সদস্য : স্যার উইলিয়ম উইলসন হান্টারকে সভাপতি করে গঠিত এ কমিশনের অন্যান্য সদস্যগণ ছিলেন আনন্দমোহন বসু, এ.ডব্লিউ ক্রফট্ (Director of Public Instruction, Bengal), ভূদেব মুখোপাধ্যায়, মহারাজা যতীন্দ্রমোহন ঠাকুর, স্যার সৈয়দ আহমদ খান প্রমুখ। হান্টার কমিশন গঠনের কারণ ( উদ্দেশ্য ) : হান্টার কমিশনের উদ্দেশ্য বিশ্লেষণ করলে এই কমিশন গঠনের কারণ উপলব্ধি করা যায়। এই উদ্দেশ্য গুলি হল : উডের প্রস্তাব পর্যালোচনা :  ১৮৫৪ সালের উড-এর শিক্ষা বিষয়ক প্রস্তাব কার্যকর হওয়ার সময় থেকে ১৮৮২ পর্যন্ত ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার পর্যালোচনা করা নতুন সুপারিশ জমা করা  : পর্যালো...

কবে কেন হান্টার কমিশন গঠিত হয়?

কবে কেন হান্টার কমিশন গঠিত হয়? কবে কেন হান্টার কমিশন গঠিত হয়? হান্টার কমিশন গঠনের কারণ ( উদ্দেশ্য ) কী ? হান্টার কমিশনের গঠন: হান্টার কমিশন বা ইন্ডিয়ান এডুকেশন কমিশন হল আধুনিক ভারতের ইতিহাসে প্রথম শিক্ষা কমিশন। ১৮৮২ সালে ভারত সরকার এই কমিশন গঠন করে ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতি পর্যালোচনা করার জন্য।  হান্টার কমিশন গঠনের কারণ ( উদ্দেশ্য ) : হান্টার কমিশনের উদ্দেশ্য বিশ্লেষণ করলে এই কমিশন গঠনের কারণ উপলব্ধি করা যায়। এই উদ্দেশ্য গুলি হল : উডের প্রস্তাব পর্যালোচনা : ১৮৫৪ সালের উড-এর শিক্ষা বিষয়ক প্রস্তাব কার্যকর হওয়ার সময় থেকে ১৮৮২ পর্যন্ত ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার পর্যালোচনা করা, নতুন সুপারিশ জমা করা : পর্যালোচনার পর শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটি অপসারণ এবং আরও অগ্রগতি ঘটানোর জন্য করণীয় সম্পর্কে সুপারিশ করা। ১৮৮৩ সালের অক্টোবর মাসে কমিশন তার রিপোর্ট পেশ করে। রিপোর্টে প্রাথমিক শিক্ষার উপরে ৩৬টি এবং মাধ্যমিক শিক্ষার উপরে ২৩টি সুপারিশ পেশ করে। ভারত সরকার কমিশনের দেওয়া প্রায় সকল সুপারিশই অনুমোদন করে। ফলে আধুনিক পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের পথ সুগম হয়। ----------------xx--------------- ...

চিনের ৪ ঠা মে আন্দোলনের কারণ বিশ্লেষণ কর। এই আন্দোলনের প্রভাব আলোচনা কর। (২০১৬)

অথবা, বিংশ শতকে চিনে ৪ ঠা মে-র আন্দোলনের উত্থান ও গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর। চিনের সেই সময়কার দুটি উল্লেখযোগ্য সংবাদপত্রের নাম লেখো। অথবা, চিনের ৪ ঠা মের আন্দোলনের পটভূমি আলোচনা কর। এই আন্দোলনের ফলাফল বা তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর।  ৪ ঠা মে-র আন্দোলন : ১৯১৪  সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে জাপান চিনে আগ্রাসন চালায়। যুদ্ধে চীন মিত্রপক্ষে যোগ দিলেও যুদ্ধের পর তারা কোনো সুবিচার পায় নি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিদেশি আধিপত্যের বিরুদ্ধে চিনা জাতীয়তাবাদী জনগণ চেন-তু-শিউ এর নেতৃত্বে  ১৯১৯ সালে ৪ ঠা মে পিকিং-এর তিয়েন-আন-মেন স্কোয়ার -এ  এক আন্দোলনের ডাক দেয়। এই আন্দোলন চিনের ইতিহাসে ৪ ঠা মে-র আন্দোলন নামে পরিচিত। আন্দোলনের কারণ ( পটভূমি ) : এই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট আলোচনা করলে এর কারণগুলি অনুধাবন করা যায়। ইউয়ান-সি-কাই এর নৃশংসতা : ১৯১১ সালে বিপ্লবের পর রাষ্ট্রপতি সান-ইয়াত-সেন দেশের গৃহযুদ্ধ এড়াতে ইউয়ান-সি-কাই  - এর অনুকূলে স্বেচ্ছায় রাষ্ট্রপতি পদ ত্যাগ করেন। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর  ইউয়ান-সি-কাই  সমস্ত সাংবিধানিক পদ্ধতি বাতিল করে সামরিক একনায়কতন...

তাইপিং বিদ্রোহ সম্পর্কে একটি টীকা লেখো।

অথবা, তাইপিং বিদ্রোহের কারণ ও ফলাফল আলোচনা কর। তাইপিং বিদ্রোহ : চিনে মাঞ্চু রাজবংশের অপশাসনের বিরুদ্ধে যে সমস্ত বিদ্রোহ সংগঠিত হয় তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল তাইপিং বিদ্রোহ। তাইপিং কথার অর্থ হল স্বর্গীয় শান্তি বা মহান শান্তি। খ্রিষ্টীয় প্রোটেস্ট্যান্ট চিন্তাধারার প্রভাবে এক ধরণের সমাজতান্ত্রিক সমাজ কাঠামো তৈরী করাই তাইপিং বিদ্রোহীদের মূল উদ্দেশ্য। তাইপিং বিদ্রোহের কারণ : তবে এই বিদ্রোহের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ লক্ষ্য করা যায়। দেশবাসীর দুর্দশা : উনিশ শতকের মাঝামাঝি চিনের সাধারণ মানুষ চরম দুর্দশার শিকার হন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, মুদ্রাসংকট, বেকারত্ব প্রভৃতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। সরকারের অপদার্থতা : চিনের দুর্বল ও অপদার্থ মাঞ্চু সরকারের সময়ে দেশে ব্যাপক অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে। ফলে এই সরকারের প্রতি জনগনের আস্থা নষ্ট হয়ে যায়। নানকিংএর অপমানজনক সন্ধি : প্রথম অহিফেন যুদ্ধে পরাজিত হয়ে মাঞ্চু সরকার বিদেশী শক্তির সাথে  নানকিংএর অপমানজনক সন্ধি  করতে বাধ্য হয়। এই ঘটনা জনগনের জনগনের মধ্যে মাঞ্চু সরকারের প্রতি অসন্তুষ্ট করে তো...

চিনে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রভাবে কীভাবে বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায়ের উদ্ভব হয়। এই ঘটনার কী প্রতিক্রিয়া হয়েছিল?

অথবা, চিনে কিভাবে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসার ঘটে? চিনের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষাক্ষেত্রে এর কী প্রভাব পড়ে? অথবা, চিনে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের কারণ ( পটভূমি ) ব্যাখ্যা কর। এর প্রভাব আলোচনা কর।  চিন ও পাশ্চাত্য শিক্ষা : ঊনবিংশ শতকের প্রথমার্ধ পর্যন্ত চিন ( বৌদ্ধধর্মের প্রভাব ছাড়া ) বড় ধরণের কোনো বৈদেশিক সভ্যতা-সংস্কৃতির দ্বারা প্রভাবিত হয় নি। ফলে চিনের সমাজ, শিক্ষা, সংস্কৃতি --- সবকিছুই অন্তর্মুখী ও পশ্চাৎপদ হয়ে পড়ে। ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে চিনে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসার ঘটতে শুরু করে। পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের ( বুদ্ধিজীবীদের উদ্ভবের )  কারণ  : যে সমস্ত কারনে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসার ও আধুনিক বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায়ের উদ্ভব হয় তা নিন্মরূপ : জাপানের কাছে পরাজয়ে :  ১৮৯৪-৯৫ সালের যুদ্ধে ছোট্ট রাষ্ট্র জাপানের কাছে পরাজয়ের ফলে তারা বুঝতে পারে পাশ্চাত্য জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা ছাড়া চিনের অগ্রগতি সম্ভব নয়। ফলে চিনের বহু স্বাধীনচেতা বুদ্ধিজীবী পাশ্চাত্য শিক্ষাকে স্বাগত জানায়। আর এরই সূত্র ধরে চিনে ধীরে ধীরে বুদ্ধিজীবী সম...

বাংলার সংস্কার আন্দোলনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভূমিকা আলোচনা কর।

অথবা, বাংলার সমাজ ও শিক্ষা সংস্কার আন্দোলনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভূমিকা আলোচনা কর। অথবা, ঊনবিংশ শতকে নারীশিক্ষা ও নারীমুক্তি আন্দোলনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান উল্লেখ কর। অথবা, উনিশ শতকের নবজাগরণে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভূমিকা কি ছিল? এ প্রসঙ্গে নারীজাতির উন্নয়নে তাঁর অবদান ব্যাখ্যা কর।  বিদ্যাসাগর ও সংস্কার আন্দোলন : ঊনবিংশ শতকে ভারতে যে কজন সংস্কারকের জন্ম হয়েছিল তাঁদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি ছিলেন বঙ্গীয় নবজাগরণের মূর্ত প্রতীক। তাঁর মধ্যে ইউরোপীয় নবজাগরণের প্রবল যুক্তিবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা, প্রগাঢ় মানবতাবাদ, এবং প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য ভাবাদর্শের এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছিল। মাইকেল মধুসূদনের মতে, ' যাঁর মনীষা প্রাচীন ঋষিদের মতো, কর্মদক্ষতা ইংরেজদের মত এবং হৃদয়বত্তা বাঙালি জননীর মত। ' বিদ্যাসাগরের সংস্কার প্রচেষ্টা : বিদ্যাসাগরের সংস্কার প্রচেষ্টাকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করে আলোচনা করা যায়। এক . শিক্ষা সংস্কার, দুই . সমাজ সংস্কার। তবে তাঁর এই দুই প্রচেষ্টার কেন্দ্রবিন্দুতে বেশিরভাগ জায়গা জুড়ে ছিল নারীশিক্ষা ও ...

ডিরোজিও কে ছিলেন? ইয়ংবেঙ্গল কী? ইয়ংবেঙ্গল আন্দোলন বলতে কী বোঝ? এই আন্দোলনের মূল্যায়ন কর।

অথবা, নব্যবঙ্গ কাদের বলা হয়? এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য কী ছিল? এই আন্দোলনের সাফল্য ও ব্যর্থতার মূল্যায়ন কর। অথবা, ডিরোজিওর কয়েকজন অনুগামীর নাম লেখো। এরা ইতিহাসে কী নামে পরিচিত? তাঁদের কর্মসূচি বর্ননা কর। এ প্রসঙ্গে তাঁদের সীমাবদ্ধতা উল্লেখ কর। ডিরোজিও ও ইয়ংবেঙ্গল : ঔপনিবেশিক শাসনকালে বাংলার সামাজিক ও সংস্কৃতিক আন্দোলনে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন তাঁদের অন্যতম ছিলেন হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও । তিনি ছিলেন হিন্দু কলেজের শিক্ষক। ঊনবিংশ শতকের প্রথমার্ধে হিন্দু কলেজের ছাত্রদের ( তাঁর অনুগামীদের ) নিয়ে তিনি যে সংগঠন গড়ে তোলেন বাংলার ইতিহাসে তা ( তাঁর অনুগামীরা )  'ইয়ংবেঙ্গল' বা 'নব্যবঙ্গ' নামে পরিচিত। নব্যবঙ্গ আন্দোলন : পাশ্চাত্য শিক্ষার সংস্পর্শে এসে এবং মিল, বেন্থাম, টম পেইন, রুশো, ভলতেয়ার প্রমুখ দার্শনিকদের রচনা পাঠের ফলে ডিরোজিওর অনুগামীদের মনে যুক্তিবাদ, বিজ্ঞানমনষ্কতা, মানবতাবাদ, জাতীয়তাবাদ  ইত্যাদি চেতনার জন্ম হয়। ডিরোজিওর নেতৃত্বে এই তরুণরা প্রচলিত হিন্দু ধর্ম ও সামাজিক কুসংস্কারগুলির বিরুদ্ধে যে আন্দোলন শুরু...
OUR OTHER BOOKS (ICSE & CBSE)
OUR BOOKS fOR WBBSE & WBCHSE


বাংলা বই ★ দ্বাদশ শ্রেণি
উচ্চমাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার 👆আদর্শ প্রশ্নোত্তরের একমাত্র পোর্টাল

জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরগুলি দেখুন