সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের রাজনৈতিক কারণ

১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের রাজনৈতিক কারণ ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের রাজনৈতিক কারণ Political causes of the Great Revolt of 1857 ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের রাজনৈতিক কারণ বিশ্লেষণ করো। ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধের মাধ্যমে ভারতে ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি স্থাপিত হয়। ১৭৭২ সালে তার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়। এবং ঠিক একশ বছর পর ১৮৫৭ সালে ব্রিটিশ সরকার গুরুতর সংকটের সম্মুখীন হয়। এই সংকটের নানামুখী রূপের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হল রাজনৈতিক কারণ। 👉 আরও জানো : পলাশীর যুদ্ধের কারণ ও ফলাফল মহাবিদ্রোহের রাজনৈতিক কারণ : রাজনৈতিক কারণের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল ব্রিটিশ সরকারের আগ্রাসন নীতি। এই নীতি তারা বিভিন্ন উপায়ে কার্যকর করেন। ১) স্বত্ববিলোপ নীতির প্রভাব :  লর্ড ডালহৌসি প্রবর্তিত স্বত্ববিলোপ নীতি দেশীয় রাজাদের দত্তপুত্রের উত্তরাধিকার অস্বীকার করে। এই নীতি প্রয়োগ করে ব্রিটিশ সরকার সাতারা, সম্বলপুর, ঝাঁসি, উদয়পুর প্রভৃতি দেশীয় রাজ্য ব্রিটিশ সরকারের কুক্ষিগত করে। নানা সাহেব বাৎসরিক ভাতা বন্ধ হয় এবং পেশোয়াপদ বিলুপ্ত করা হয়। 👉 আরও জানে নাও : স্বত্ববিলোপ নীতি ও তার শর্ত কি ছিল ? ২) অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি : ...

ইতিহাস তৃতীয় সেমিস্টার। প্রথম অধ্যায়। প্রশ্ন সেট -১

ইতিহাস দ্বাদশ তৃতীয় সেমিস্টার সঠিক উত্তর সেট -১ ইতিহাস তৃতীয় সেমিস্টার। প্রথম অধ্যায়। প্রশ্ন সেট -১ ১) বিদেশি পর্যটকরা নতুন দেশে ভ্রমণ করেন যে কারণে ক) বাণিজ্যিক কারণে, খ) ধর্মপ্রচারের কারণে  গ) নতুন নতুন দেশ দেখার কারণে ঘ) সবগুলি সঠিক  ২) আল বিরুনী জন্মগ্রহণ করেন— ক) ৭৫০ খ্রিস্টাব্দে খ) ৭৯৩ খ্রিস্টাব্দে গ) ১০৫০ খ্রিস্টাব্দে ঘ) ১০৬০ খ্রিস্টাব্দে ৩) আল বিরুনী জন্মগ্রহণ করেন — ক) তাজাকিস্তানে খ) কাজাকিস্তানে  গ) আর্মেনিয়ায় ঘ) খোয়ারিজমে ৪) ‘হিন্দু’ শব্দটি উদ্ভব হয়েছে যে শব্দ থেকে— ক) প্রাচীন গ্রিক শব্দ থেকে,খ) প্রাচীন পারসিক শব্দ থেকে   গ) প্রাচীন সংস্কৃত শব্দ থেকে, ঘ) প্রাচীন বাংলা শব্দ থেকে  ৫) আরবরা সিন্ধু নদের পূর্ব দিকের অঞ্চলকে যে নামে ডাকতেন— ক) অল হিন্দ , খ) হিন্দুস্তান গ) ইন্দাস, ঘ) ইন্ডিয়া  ৬) ভারতকে ‘হিন্দুস্তান’ বলে উল্লেখ করেছেন যারা — ক) গ্রীকরা, খ) আরবরা,  গ) পারসিকরা, ঘ) তুর্কিরা ৭) তুর্কিরা হিন্দুস্তানের ভাষাকে যে নামে ডাকে  ক) উর্দু, খ) হিন্দু,  গ) হিন্দি, ঘ) হিন্দাভি ৮) পরবর্তী বৈদিক যুগে চারটি বর্ণকে_________করা হয়।...

উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ প্রদত্ত তৃতীয় সেমিস্টারের নমুনা প্রশ্নপত্র

উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ প্রদত্ত তৃতীয় সেমিস্টারের নমুনা প্রশ্নপত্র উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ প্রদত্ত তৃতীয় সেমিস্টারের নমুনা প্রশ্নপত্র ১) দুয়ার্তে বারবোসা কোন্ দেশের পর্যটক ছিলেন? ক) ইতালি, খ) পারস্য  গ) জাপান, ঘ) পর্তুগাল  ২) পারস্যের পর্যটক এর নাম হল — ক) পায়েজ, খ) নুনিজ গ) আব্দুর রাজ্জাক, ঘ) নিকোলো কন্টি ৩) নিকোলো কন্টি কোন্ দেশের পর্যটক ছিলেন? ক) জাপান, খ) ইতালি  গ) পারস্য, ঘ) পর্তুগাল  ৪) মানচিত্রের চিহ্নিত জায়গাটির নাম হল — মানচিত্রের চিহ্নিত জায়গাটির নাম ক) বিজয়নগর, খ) বাহমনি গ) দ্বার সমুদ্র, ঘ) দিল্লি  ৫) বাহমনি রাজ্যে দেশীয় অভিজাতদের বলা হত — ক) বাঙালি, খ) ভোজপুরি  গ) দক্ষিণি মুসলমান, ঘ) গুজরাটি ৬) বানিহাটির যুদ্ধে (১৫৬৫ খ্রিস্টাব্দ) একটা পক্ষের নাম — ক) ইতালি, খ) পর্তুগাল  গ) বঙ্গদেশ, ঘ) বিজয়নগর  ৭) কবির শিষ্য ছিলেন — ক) নানক দেবের, খ) চৈতন্যদেবের  গ) মীরা বাইয়ের, ঘ) রামানন্দের  ৮) দোঁহা রচনা করেন — ক) কবির, খ) আকবর  গ) মীরাবাঈ, ঘ) রামানন্দ  ৯) সুফিরা ‘হঠযোগ’ শিখেছিল — ক) ব্রাহ্মণদের কাছে, খ) চিশতিদের কাছে...

হান্টার কমিশনের সুপারিশ মূল্যায়ন করো

হান্টার কমিশনের সুপারিশ মূল্যায়ন কর হান্টার কমিশনের সুপারিশ মূল্যায়ন করো আধুনিক শিক্ষার প্রসারে হান্টার কমিশনের সুপারিশ মূল্যায়ন কর Evaluate the recommendations of the Hunter Commission on the promotion of modern education হান্টার কমিশন কী: হান্টার কমিশন বা ইন্ডিয়ান এডুকেশন কমিশন হল আধুনিক ভারতের ইতিহাসে প্রথম শিক্ষা কমিশন। ভারত সরকার এই কমিশন গঠন করে ১৮৮২ সালে ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতি পর্যালোচনা করার জন্য। হান্টার কমিশনের সদস্য : স্যার উইলিয়ম উইলসন হান্টারকে সভাপতি করে গঠিত এ কমিশনের অন্যান্য সদস্যগণ ছিলেন আনন্দমোহন বসু, এ.ডব্লিউ ক্রফট্ (Director of Public Instruction, Bengal), ভূদেব মুখোপাধ্যায়, মহারাজা যতীন্দ্রমোহন ঠাকুর, স্যার সৈয়দ আহমদ খান প্রমুখ। হান্টার কমিশন গঠনের কারণ ( উদ্দেশ্য ) : হান্টার কমিশনের উদ্দেশ্য বিশ্লেষণ করলে এই কমিশন গঠনের কারণ উপলব্ধি করা যায়। এই উদ্দেশ্য গুলি হল : উডের প্রস্তাব পর্যালোচনা :  ১৮৫৪ সালের উড-এর শিক্ষা বিষয়ক প্রস্তাব কার্যকর হওয়ার সময় থেকে ১৮৮২ পর্যন্ত ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার পর্যালোচনা করা নতুন সুপারিশ জমা করা  : পর্যালো...

কবে কেন হান্টার কমিশন গঠিত হয়?

কবে কেন হান্টার কমিশন গঠিত হয়? কবে কেন হান্টার কমিশন গঠিত হয়? হান্টার কমিশন গঠনের কারণ ( উদ্দেশ্য ) কী ? হান্টার কমিশনের গঠন: হান্টার কমিশন বা ইন্ডিয়ান এডুকেশন কমিশন হল আধুনিক ভারতের ইতিহাসে প্রথম শিক্ষা কমিশন। ১৮৮২ সালে ভারত সরকার এই কমিশন গঠন করে ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতি পর্যালোচনা করার জন্য।  হান্টার কমিশন গঠনের কারণ ( উদ্দেশ্য ) : হান্টার কমিশনের উদ্দেশ্য বিশ্লেষণ করলে এই কমিশন গঠনের কারণ উপলব্ধি করা যায়। এই উদ্দেশ্য গুলি হল : উডের প্রস্তাব পর্যালোচনা : ১৮৫৪ সালের উড-এর শিক্ষা বিষয়ক প্রস্তাব কার্যকর হওয়ার সময় থেকে ১৮৮২ পর্যন্ত ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার পর্যালোচনা করা, নতুন সুপারিশ জমা করা : পর্যালোচনার পর শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটি অপসারণ এবং আরও অগ্রগতি ঘটানোর জন্য করণীয় সম্পর্কে সুপারিশ করা। ১৮৮৩ সালের অক্টোবর মাসে কমিশন তার রিপোর্ট পেশ করে। রিপোর্টে প্রাথমিক শিক্ষার উপরে ৩৬টি এবং মাধ্যমিক শিক্ষার উপরে ২৩টি সুপারিশ পেশ করে। ভারত সরকার কমিশনের দেওয়া প্রায় সকল সুপারিশই অনুমোদন করে। ফলে আধুনিক পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের পথ সুগম হয়। ----------------xx--------------- ...

সার্ক কী? সার্কের উদ্দেশ্য কী ছিল? সার্ক গড়ে ওঠার পটভূমি। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণে সার্ক কতটা সফল

সার্ক কী? এর উদ্দেশ্য কী ছিল? গড়ে ওঠার পটভূমি আলোচনা করো। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণে কতটা সফল হয়েছিল? (২০১৬) What is SAARC? What was its purpose? Discuss the background of its development. How successful was SAARC in meeting its goals and objectives? সার্ক কী? সার্ক (SAARC) হলো দক্ষিণ এশিয়ার একটি আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা। সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালের ৮ই ডিসেম্বর। প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় ঢাকায়। এর সদস্য রাষ্ট্রগুলো হল ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ। পরবর্তী সময়ে অন্তর্ভুক্ত হয় আফগানিস্তান। পর্যবেক্ষক হিসাবে নির্বাচন করা হয়েছে চীন ও জাপানকে। এর সদর দপ্তর নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু। সার্কের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য কী ছিল? সার্কের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে আলাপ আলোচনা করা ও এ বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা। সার্ক সনদের প্রথম ধারাতেই তা বিষয়ে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ১) উন্নয়ন : সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিষয়ে অগ্রগতি ঘটানো। ২) আত্মনির্ভ...

জাদুঘরের বিকাশ ও প্রকারভেদ আলোচনা করো

জাদুঘরের বিকাশ ও প্রকারভেদ আলোচনা করো সুদূর অতীত কালে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জাদুঘর প্রতিষ্ঠার প্রচলন ছিল বলে জানা যায়। যুগের অগ্রগতির সাথে সাথে অতীতকালের জাদুঘর গুলির বিবর্তন ও বিকাশ ঘটতে থাকে। বিকাশের বিভিন্ন ধারায় সেই প্রাচীন জাদুঘর গুলি আজ আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত জাদুঘরের পরিণত হয়েছে। জাদুঘরের বিকাশ প্রাচীন জাদুঘর : প্রাচীন জাদুঘর গুলোকে প্রধানত দু'ভাগে ভাগ করা যায়। ১) পঞ্চদশ শতকের পূর্বের জাদুঘর। ২) পঞ্চদশ থেকে সপ্তদশ শতকের মধ্যবর্তী সময়ের জাদুঘর। ১) পঞ্চদশ শতকের পূর্বের জাদুঘর : প্রাচীনকাল থেকে পঞ্চদশ শতকের ইতালীয় নবজাগরণের শুরু পর্যন্ত সময়কালে যে সমস্ত জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সেগুলোতে সর্বসাধারণের প্রবেশ অধিকার ছিলনা । এই সময়কার উল্লেখযোগ্য জাদুঘর গুলির মধ্যে মেসোপটেমিয়ার এননিগালডি - নান্না-র জাদুঘর বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছে। এটা পৃথিবীর প্রাচীনতম জাদুঘর। এছাড়া এথেন্সের প্লেটোর জাদুঘর , এবং আলেকজান্দ্রিয়ার জাদুঘরও এই সময়ের উল্লেখযোগ্য দুটি জাদুঘর। ২) পঞ্চদশ থেকে সপ্তদশ শতকের মধ্যবর্তী সময়ের জাদুঘর : এই সময় থেকে জাদুঘর গুলিতে সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকারের সুযোগ দেয়া ...

ক্যন্টন বাণিজ্যের শর্তাবলি। ক্যন্টন বাণিজ্যের শর্তারোপের পরিণতি বা ফলাফল

ক্যন্টন বাণিজ্যের শর্তাবলি উল্লেখ কর। এই শর্তারোপের পরিণতি কী হয়েছিল? কোন কোন শর্তে বিদেশী বণিকরা ক্যান্টন বন্দরে বাণিজ্য করার অধিকার পেত? এই শর্ত আরোপের ফলাফল কী হয়েছিল? What are the terms of Canton trade. Consequences of the terms of the Canton trade ক্যান্টন বাণিজ্য : সালে চিনা আদালত একমাত্র ক্যান্টন বন্দরকেই বিদেশি বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত বলে ঘোষণা করে। এভাবে ক্যান্টন বন্দরকে কেন্দ্র করে চিনে বিদেশীদের এক-বন্দরকেন্দ্রিক যে বাণিজ্য প্রথার সূচনা হয় তা-ই ‘ক্যান্টন বাণিজ্য’ নামে পরিচিত। ক্যন্টন বাণিজ্যের শর্তাবলি : বিদেশিদের চিনের ক্যান্টন বাণিজ্যে অংশ নিতে গেলে নিম্নলিখিত শর্ত মেনে চলতে হতো। ১) বনিক সংঘের নিয়ন্ত্রনাধীন বাণিজ্য : ক্যান্টন বাণিজ্য পরিচালিত হতো ‘কো-হং’ নামে একটি ঘনিষ্ঠ বণিকসংঘ দ্বারা। এই বণিক সংঘ ছিল মূলত ব্যক্তি মালিকানাধীন। এদের মাধ্যমেই বিদেশী বণিকদের বাণিজ্য করতে হতো। ২) প্রত্যক্ষ বাণিজ্য করা যাবে না : বিদেশি বণিকরা চীনের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে প্রত্যক্ষভাবে বাণিজ্য পণ্য কিনতে পারত না। সরকার অনুমোদিত ‘কো-হং’ বণিক সংঘের মাধ্যমেই তাদের লেনদেন চালাতে হতো। ৩) বিদেশীদের ...

ক্যান্টন বাণিজ্য কী? ক্যান্টন বাণিজ্যের বৈশিষ্ট্য। ক্যান্টন বাণিজ্যের অবসানের কারণ

 ক্যান্টন বাণিজ্য কী? ক্যান্টন বাণিজ্যের বৈশিষ্ট্য আলোচনা কর। ক্যান্টন বাণিজ্যের অবসানের কারণ কী ছিল? অথবা, ক্যান্টন বাণিজ্যের বৈশিষ্ট্য ও ফলাফল আলোচনা কর। What is Canton Trade? Characteristics of Canton Trade. Caused the end of the Canton trade ক্যান্টন বাণিজ্য কী? চিনের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত ক্যান্টন বন্দর একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র। ১৭৫৭ সাল থেকে ১৮৪২ সাল পর্যন্ত এই বন্দরই ছিল বিদেশি বণিকদের কাছে একমাত্র উন্মুক্ত বন্দর। কারণ, ১৭৫৯ সালে চিনা আদালত একমাত্র ক্যান্টন বন্দরকেই বিদেশি বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত বলে ঘোষণা করে। এভাবে ক্যান্টন বন্দরকে কেন্দ্র করে চিনে বিদেশীদের এক-বন্দরকেন্দ্রিক যে বাণিজ্য প্রথার সূচনা হয় তা-ই ‘ক্যান্টন বাণিজ্য’ নামে পরিচিত। এই ‘ক্যান্টন বাণিজ্য’ ‘ক্যান্টন বাণিজ্য প্রথা’ নামেও পরিচিত। ক্যান্টন বাণিজ্যের বৈশিষ্ট্য : ক্যান্টন বাণিজ্যের প্রধান প্রধান শর্ত, যা বিদেশি বণিকদের মেনে চলতে হতো, তা বিশ্লেষণ করলেই ক্যান্টন বাণিজ্যের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য নজরে পড়বে। ১) ব্যক্তিগত মালিকানা ভিত্তিক বাণিজ্য : ক্যান্টন বাণিজ্য পরিচালিত হতো ‘কো-হং’ নামে একটি...
OUR OTHER BOOKS (ICSE & CBSE)
OUR BOOKS fOR WBBSE & WBCHSE


বাংলা বই ★ দ্বাদশ শ্রেণি
উচ্চমাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার 👆আদর্শ প্রশ্নোত্তরের একমাত্র পোর্টাল

জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরগুলি দেখুন