সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইন্দোচিনের পরিবর্তিত অবস্থা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও। এ প্রসঙ্গে হো-চি-মিনের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

অথবা, হো-চি-মিন কে ছিলেন? ভিয়েতনামের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান কী ছিল? এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য এখানে ক্লিক কর । 

ভারত ছাড়ো আন্দোলনের পটভূমি ও তাৎপর্য নির্নয় করো। এই আন্দোলনে মহিলাদের অংশগ্ৰহণ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।

১৯৪২ সালের ২৬ শে এপ্রিল। জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী 'হরিজন' পত্রিকায় 'ভারতছাড়ো' আন্দোলনের পরিকল্পনা পেশ করেন। এই বছর ১৪ ই জুলাই ওয়ার্ধা অধিবেশনে ভারতছাড়ো আন্দোলনের প্রস্তাব গৃহীত হয়। শুরু হয় ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সর্বশেষ বৃহত্তর গণআন্দোলন। এই আন্দোলনের নেতা হিসেবে গান্ধিজি ঘোষণা করেন, অবিলম্বে ব্রিটিশদের ভারত ত্যাগ করতে হবে, অন্যথায় অনিচ্ছা সত্ত্বেও কংগ্রেস প্রত্যক্ষ সংগ্রামে নামবে। আন্দোলনের পটভূমি : তবে এই আন্দোলনের পটভূমি তৈরি ছিল আগে থেকেই। ১) ক্রিপস মিশনের ব্যর্থতা : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পটভূমি ভারতীয়দের সমর্থথন ও সহযোগিতার আশায় হাজার 942 সালে 23 শে মার্চ ক্রিপস মিশন কিছু প্রস্তাব নিয়ে ভারতে আসেন। কিন্তু এই প্রস্তাবে ভারতকে পূর্ণ স্বাধীনতা  দেওয়ার প্রতিশ্রুতি  না থাকায় এই মিশন ব্যর্থ হয়। ফলে গান্ধীজীর মনেে তীব্র ব্রিটিশবিরোধী মনোভাব সৃষ্টি হয়। তিনি জাতির উদ্দেশ্যে ঘোষণা করেন, ' পূর্ণ স্বাধীনতাা অপেক্ষা কম কোন কিছুতেই আমি সন্তুষ্ট হবো না।' ২) জাপানি আক্রমণের সম্ভাবনা :  ১৯৪২ সালের প্রথম থেকেই জাপান একে একে সিঙ্গাপুর মালয় ও ব্রহ্মদেশ কে প্রধ...

ইন্দোনেশিয়ার জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও। অথবা, ইন্দোনেশিয়ার জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে ড. সুকর্ন-র ভূমিকা আলোচনা করো।

অথবা, কোন কোন অঞ্চল নিয়ে ইন্দোনেশিয়া গড়ে উঠেছে? দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইন্দোলনেশিয়ার পরিবর্তিত অবস্থা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও। ইন্দোনেশিয়া : প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে বিশ্বের সর্ববৃহৎ দ্বীপ-রাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়া অবস্থিত যা প্রায় ৩ হাজার দ্বীপে র সমন্বয়ে গঠিত। এখানকার প্রধান প্রধান দ্বীপগুলির মধ্যে অন্যতম হল সুমাত্রা, জাভা, বালি, বোর্নিও, পাপুয়া নিউ গিনি ইত্যাদি। ডাচ উপনিবেশ : আনুমানিক ১৫১১ সালে পর্তুগাল এখানে বাণিজ্যকুঠি স্থাপন করে। তাদের  আগমনের সূত্র ধরে একে একে স্পেন ও ব্রিটিশরা পৌঁছায়। সপ্তদশ শতকের শেষ দিকে স্পেন ও ব্রিটিশদের বিতাড়িত করে হল্যান্ড ( ডাচ / ওলন্দাজ ) এখানে  ঔপনিবেশিক শাসন প্রতিষ্ঠা করে। ডাচ বিরোধী আন্দোলন : ডাচ কোম্পানির শাসনের অবসানের পর ১৭৯৯ সালে ডাচ সরকার প্রত্যক্ষভাবে ইন্দোনেশিয়ার শাসনভার গ্রহণ করে। বিংশ শতকের শুরুতে ইন্দোনেশিয়ায় ওলন্দাজ-বিরোধী জাতীয়তাবাদী আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে। জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের কারণ (প্রেক্ষাপট) : জাতীয়তাবাদী আন্দোলন শুরুর পিছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ লক্ষ্য করা যায়। ওলন্দাজরা ...

ইন্দোচিন কী? হো চি মিনের নেতৃত্বে ভিয়েতনামের মুক্তি যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।

অথবা, ভিয়েতনামের মুক্তি যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও। অথবা, হো-চি-মিন কে ছিলেন? ভিয়েতনামের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান কী ছিল? অথবা, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইন্দোচিনের পরিবর্তিত অবস্থা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও। এ প্রসঙ্গে হো-চি-মিনের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর। ইন্দোচিন  ফরাসিরা ১৮৫৭ সালে কোচিন চিন ও কম্বোডিয়া অধিকার করে। এর পর একে একে ভিয়েতনাম, টংকিং, আন্নাম দখল করে ১৮৮৭ সালে একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো গড়ে তোলে। ফরাসি অধিকৃত এই অঞ্চলই ' ইন্দোচিন' নামে পরিচিত। ক) মুক্তি সংগ্রামের প্রথম পর্যায় : ফরাসি সাম্রাজ্যবাদ ও ইন্দোচিন : বিংশ শতকের প্রথম দিক থেকে ফরাসি সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে ইন্দোচিনে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সূচনা ঘটে। যাঁর নেতৃত্বে এই আন্দোলন সাফল্যের দোঁড়গোড়ায় পৌঁছায় তিনি হচ্ছেন ভিয়েতনাম মুক্তি-সংগ্রামের পথপ্রদর্শক হো-চি-মিন। জাপানি সাম্রাজ্যবাদ ও ইন্দোচীন : ভিয়েতনাম গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র :  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির কাছে ফ্রান্স বিধ্বস্ত হলে তারা ইন্দোচিন থেকে সরে আসে। এই সুযোগে জার্মানির মিত্র দেশ জাপান সেখানে আধিপত্য গড়ে তোলে। ১৯৪৫ সালে অগ...

ক্ষমতা হস্তান্তরের পটভূমি উল্লেখ করো। এ ক্ষেত্রে ব্রিটিশের ভূমিকা ও ভারতীয়দের প্রতিক্রিয়া ব্যাখ্যা করো।

ক্ষমতা হস্তান্তরের পটভূমি উল্লেখ করো। এ ক্ষেত্রে ব্রিটিশের ভূমিকা ও ভারতীয়দের প্রতিক্রিয়া ব্যাখ্যা করো। ক্ষমতা হস্তান্তর : ভারত বিভাজনের পরিকল্পনা ব্রিটিশ সরকার অনুমোদন করার পর লর্ড মাউন্টব্যাটেন ৩ রা জুন ১৯৪৭ তাঁর ভারত বিভাজনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। এই ঘোষণা 'মাউন্টব্যাটেন প্রস্তাব' নামে পরিচিত। কংগ্রেস ও মুসলিম লিগ এই প্রস্তাব মেনে নিলে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট 'ভারতের স্বাধীনতা আইন ১৯৪৭' পাশ করে এবং ভারতকে স্বাধীনতা প্রদান করে। এই ঘটনা 'ক্ষমতা হস্তান্তর' নামে পরিচিত।  ক্ষমতা হস্তান্তরের পটভূমি : ১৯৪২ সালে ভারত ছাড়ো আন্দোলনের পর ঘটনা পরম্পরা অতি দ্রুত ব্রিটিশদের বুঝিয়ে দেয় যে ভারতবাসীর হাতে শাসন ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় এগিয়ে আসছে। ভারত ছাড়ো আন্দোলন : ভারত ছাড়ো আন্দোলন ব্যর্থ হলেও এই আন্দোলন প্রমাণ করে যে মুক্তি সংগ্রামে ভারতের জয় অনিবার্য। বড়লাট ওয়াভেল ব্রিটিশ সরকারকে লেখেন, ভারতে ব্রিটিশ শাসনের দিন শেষ হয়েছে।' আজাদ হিন্দ বাহিনীর সংগ্রাম : আজাদ হিন্দ বাহিনীর প্রবল বীরত্ব ও আত্মত্যাগের দৃষ্টান্ত দেশবাসীর মনে প্রবল জাতীয়তাবাদী আশা-আকাঙ্খা জাগিয়ে তোলে...

নৌবিদ্রোহের কারণ ও গুরুত্ব সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।

নৌবিদ্রোহ : ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সর্বশেষ আন্দোলন হল নৌবিদ্রোহ। ভারতছাড়ো আন্দোলন, আজাদহিন্দ বাহিনীর সংগ্রাম ইত্যাদির চাপে ব্রিটিশ সরকারের যখন নাভিশ্বাস ওঠার উপক্রম ঠিক তখনই নৌবিদ্রোহ (১৯৪৬) যেন ভারতের ব্রিটিশ শাসনের কফিনে শেষ পেরেক টি পুঁতে দিয়েছিল। ড. সুমিত সরকারের মতে , এই বিদ্রোহ ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের বিভিন্ন ঘটনার মধ্যে সবচেয়ে বীরোচিত সংগ্রাম। বিদ্রোহের কারণ বা পটভূমি : এই বিদ্রোহের পটভূমি বিশ্লেষণ করলে এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ নজরে পড়ে। কারণগুলি হল -- বেতন বৈষম্য : ভারতীয় নৌবাহিনীতে প্রবল বর্ণ বৈষম্য ছিল। বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেও ভারতীয় নাবিকরা ইংরেজদের মত বেতন পান নি।  বর্ণবৈষম্য : ভারতীয় নাবিকরা ইংরেজ ও শ্বেতাঙ্গ অফিসারদের দ্বারা সর্বদাই লাঞ্ছিত হতেন। জাতি ও বর্ণগত কারণে তাঁরা এই লাঞ্ছনার শিকার হতেন।  নিম্ন মানের খাদ্য : ভারতীয় নৌসেনারা ইয়রোপীয়দের তুলনায় নিম্নমানের ও অল্প পরিমাণে খাবার পেতেন।  পদোন্নতির অভাব : যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও ভারতীয় নৌসেনারা পদোন্নতির সুযোগ থেকে বঞ...

'সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা' কী?

১৯৩২ সালে ভারতের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দুর্বল করার জন্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী রামসে ম্যাগডোনাল্ডের পরামর্শে ভারতের ব্রিটিশ সরকার যে ' বিভাজন ও শাসন' নীতি গ্রহণ করে ত...

লিনলিথগো প্রস্তাব কী? এর আর এক নাম কী?

১৯৪০ সালে ৮ই আগস্ট বড়লাট লর্ড লিনলিথগো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ভারতীয়দের সমর্থন ও ভারতের জনসম্পদ ও অর্থসম্পদ ব্যবহারের উদ্দেশ্যে যে সুপারিশপত্র পেশ করে তা 'লিনলিথগো প্র...

কংগ্রেসের কোন অধিবেশনে পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি জানানো হয়?

১৯৪০ সালে মার্চ মাসে কংগ্রেসের রামগড় অধিবেশনে পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি জানানো হয়।

মুসলিম লিগ কবে 'মুক্তি দিবস' পালনের ডাক দেয়?

১৯৩৯ সালে ২৯ অক্টোবর কংগ্রেস মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করলে, ওই দিনটিকে মুসলিম লিগ 'মুক্তি দিবস' হিসেবে পালনের ডাক দেন।

১৯৩৯ সালে কংগ্রেস মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করে কেন?

১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে ব্রিটিশ সরকার ভারতীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলাপ আলোচনা না করেই ভারতকে 'যুদ্ধরত দেশ' বলে ঘোষণা করে। এতে অসন্তুষ্ট হয়ে জাতীয় কংগ্রেস মন...

'রোম-বার্লিন-টোকিও অক্ষশক্তি' কী?

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে ১৯৩৭ সালে ইতালি, জার্মানি ও জাপানের মধ্যে যে সমঝোতা চুক্তি গড়ে ওঠে তাকে 'রোম-বার্লিন-টোকিও অক্ষশক্তি' বলে।

কোন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, কবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়?

১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দের ১লা সেপ্টেম্বর জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে। এর প্রতিবাদে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স ৩ সেপ্টেম্বর জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ফলে দ্বিতীয় বি...

হিটলার পোল্যান্ড আক্রমণ করেছিল কেন?

হিটলার ডানজিগ বন্দরে পৌঁছনোর জন্য পোল্যান্ডের কাছে একটি করিডোর বা অভ্যন্তরীণ পথ দাবি করে। পোল্যান্ড এই দাবি মানতে অস্বীকার করলে হিটলার পোল্যান্ড আক্রমন করেন।

কোন পরিস্থিতিতে ক্রিপস মিশন ভারতে আসে? এই মিশনের প্রস্তাবগুলি কী ছিল? এক্ষেত্রে ভারতীয়দের কী প্রতিক্রিয়া হয়েছিল? এর ব্যর্থতার কারণ কী ছিল?

কোন পরিস্থিতিতে ক্রিপস মিশন ভারতে আসে? এই মিশনের প্রস্তাবগুলি কী ছিল? এক্ষেত্রে ভারতীয়দের কী প্রতিক্রিয়া হয়েছিল? এর ব্যর্থতার কারণ কী ছিল? ক্রিপস মিশন বা ক্রিপস প্রস্তাব : ১৯৪১ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির সাঁড়াশি আক্রমনের চাপে মিত্রশক্তির অন্যতম সদস্য ব্রিটেন নাজেহাল হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে ভারতে জাপানি আক্রমণের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় নেতৃবৃন্দের সমর্থন এবং ভারতকে যুদ্ধরত দেশ হিসেবে ঘোষণা করার প্রয়োজন পড়ে। এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার উদ্দেশ্যে ব্রিটিশ মন্ত্রিসভার সদস্য স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস ১৯৪২ সালের ২৩ মার্চ ভারতে পৌঁছান। ক্রিপসের এই ভারত-আগমন 'ক্রিপস দৌত্য' বা 'ক্রিপস মিশন' নামে পরিচিত। আর এই সময় ভারতীয় নেতৃবৃন্দের কাছে যে একগুচ্ছ প্রস্তাব পেশ করেন তা 'ক্রিপস প্রস্তাব ' নাম পরিচিত।   ক্রিপস মিশনের  পটভূমি বা কারণ : ক্রিপস মিশনের ভারত আগমনের পিছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে যা তার পটভূমি বিশ্লেষণ করলে পরিষ্কার হয়ে ওঠে। জাপানি আক্রমণের সম্ভাবনা : ১৯৪১ সালের ৭ই ডিসেম্বর জাপান মিত্রশক্তির ...
OUR OTHER BOOKS (ICSE & CBSE)
OUR BOOKS fOR WBBSE & WBCHSE


বাংলা বই ★ দ্বাদশ শ্রেণি
উচ্চমাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার 👆আদর্শ প্রশ্নোত্তরের একমাত্র পোর্টাল

জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরগুলি দেখুন